মোবাইল ব্যাংকিং কিভাবে এক্টিভেট করতে হয় - মোবাইল ব্যাংকিং এর সুবিধা অসুবিধা

প্রিয় পাঠকবৃন্দ, আপনাকে আমার ওয়েবসাইটে স্বাগতম। আজকের আর্টিকেলে মোবাইল ব্যাংকিং কিভাবে এক্টিভেট করতে হয় এই বিষয়ে তুলে ধরা হবে। আপনি যদি মোবাইল ব্যাংকিং কিভাবে এক্টিভ করতে হয় এবং এর সুবিধা ও অসুবিধা? এ বিষয়ে জানতে চান তবে সম্পূর্ণ পোস্ট মনোযোগ সহকারে পড়বেন।আশা করি, মোবাইল ব্যাংকিং কিভাবে এক্টিভেট করতে হয় এটি জেনে আপনি উপকৃত হবেন।
মোবাইল ব্যাংকিং কিভাবে এক্টিভেট করতে হয় - মোবাইল ব্যাংকিং এর সুবিধা অসুবিধা
আমাদের সাথে পুরো পোস্ট জুড়ে থাকলে, মোবাইল ব্যাংকিং কিভাবে এক্টিভেট করতে হয় - মোবাইল ব্যাংকিং এর সুবিধা অসুবিধা সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে জানতে পারবেন। তাহলে চলুন আর কথা না বাড়িয়ে এই সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।
পোষ্ট সূচিপত্রঃ

ভূমিকা

আমাদের সকলকে কয়েক বছর পূর্বে ব্যাংকিং সেবা নেওয়ার জন্য সরাসরি ব্যাংকে উপস্থিত থেকে সেবা নিতে হতো। কিন্তু, বর্তমান সময়ে ইন্টারনেটের জনপ্রিয়তার সাথে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধির পাওয়ার সাথে ব্যাংকিং সেবার ভূমিকা প্রচুর পরিমাণে রয়েছে। আজকের আর্টিকেলে মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপস, মোবাইল ব্যাংকিং কিভাবে এক্টিভেট করতে হয়, মোবাইল ব্যাংকিং এর সুবিধা অসুবিধা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।

মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপস কি

যে অ্যাপসের মাধ্যমে ঘরে বসেই আর যে কোন অঞ্চল থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করে মোবাইল ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যাংকের সেবা পাওয়া যায় তাকে মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপস বলা হয়। এই অ্যাপসটি অন্যান্য সকল অ্যাপস এর মত ব্যবহারযোগ্য। মোবাইল ডিভাইসে নিজের ব্যাংকের সাথে জড়িত সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে এই অ্যাপ্লিকেশনটি প্রয়োজন হয়ে থাকে।

এই অ্যাপ্লিকেশনটি সরাসরি ব্যাংকের সার্ভারের সাথে সংযুক্ত থাকে। যার ফলে আমরা সহজেই সেই অ্যাপ্লিকেশনটি ব্যবহার করে ব্যাংকের সেবা গ্রহণ করতে পারি। সাধারণত ব্যাংক সার্ভার এর সাথে সংযুক্ত থাকা হক্কল অফিসিয়াল অ্যাপ্লিকেশন গুলোকে মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপস বলে।

মোবাইল ব্যাংকিং কিভাবে এক্টিভেট করতে হয়

বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটা ব্যাংকেরই একটি নিজস্ব অফিসিয়াল মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপ রয়েছে। বিভিন্ন ব্যাংক তাদের নিজস্ব এপ্লিকেশন অফার করে থাকে। এজন্য, মোবাইল ব্যাংকিং একটিভ করার প্রক্রিয়া বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে। সাধারণত বেশিরভাগ ব্যাংকের অফিসিয়াল মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপ আপনার ডিভাইসে ইন্সটল করার পরে রেজিস্ট্রার নামক অপশন দেওয়া থাকবে।
সেখান থেকে অ্যাকাউন্ট তৈরি করার সময় আপনার একাউন্টের ভেরিফিকেশন করার জন্য আপনাকে আপনার ব্যাংক এর সাথে রেজিস্টার করা মোবাইল নাম্বার, এটিএম কার্ডের পাসওয়ার্ড এবং ডেবিট কার্ডের বিস্তারিত তথ্য দিতে হতে পারে। যেটি আপনার অ্যাকাউন্ট যাচাইয়ের ক্ষেত্রে অপরিহার্য।

এ সকল কার্যক্রম শেষে আপনি সক্রিয়ভাবে ঘরে বসে বা দেশে যে কোন অঞ্চল থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করে মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে ব্যাংক হতে সেবা নিতে পারবেন। আশা করি, মোবাইল ব্যাংকিং কিভাবে একটিভ করতে হয় বিষয়টি জানতে সক্ষম হয়েছেন।

মোবাইল ব্যাংকিং এর সুবিধা

বর্তমানে অনেক সময়ে বেশিরভাগ গ্রাহকরা তাদের ব্যাংকের লেনদেনগুলো নিজেদের মোবাইল ডিভাইসের মাধ্যমে সম্পন্ন করছেন। আপনি যদি তাদের মধ্যে হয়ে থাকেন এবং মোবাইল ব্যাংকিং এর সুবিধার সম্পর্কে জেনে না থাকেন তাহলে পোস্টটি আপনার জন্য উন্মোচিত।
আবার অনেকের মোবাইল ব্যাংকিং এর সুবিধা সম্পর্কে জানেন না যার ফলে মোবাইল ব্যাংকিং এর সেবা গ্রহণ করে না। মোবাইল ব্যাংকিং এর সুবিধা গুলো হচ্ছে -
  • সাধারণত মোবাইল ব্যাংকিং ইন্টারনেটের সহায়তাই ব্যবহার করা হয়। তবে ইন্টারনেট ছাড়া ফোন কল এবং এসএমএস এর মাধ্যমে সেবা গ্রহণ করা যায়।
  • মোবাইল ব্যাংকিং ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের তুলনায় অনেক সুরক্ষিত এবং সহজ।
  •  মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে ৩৬৫ দিন এবং ২৪ ঘন্টায় আপনার নিজস্ব ব্যাংক হতে সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। এখানে ব্যাংক ছুটির বা সরকারি ছুটি বলে কিছু নেই। সারা বছর যে কোন অঞ্চল থেকে এর সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।
  • আপনার একাউন্টের বর্তমান ব্যালেন্স চেক করার জন্য আপনাকে ব্যাংকে গিয়ে জানতে হবে না। আপনি ঘরে বসেই মোবাইলের মাধ্যমে ব্যালেন্স চেক করতে পারবেন।
  • বর্তমানে বেশিরভাগ ব্যাংকই বিনামূল্যে এই সেবা দিয়ে থাকে। তবে কিছু কিছু ব্যাংক হাতেগোনা কয়েকটা ব্যাংক মোবাইল ব্যাংকিং সেবার জন্য অতিরিক্ত চার্জ নিয়ে থাকে।
  • এখন মোবাইল ব্যাংকিং সেবা অনেক সহজতার হয়ে গেছে। যেকোনো ব্যক্তির কোন প্রকার ঝামেলা ছাড়াই এটি ব্যবহার করতে পারবেন।
আশা করি, মোবাইল ব্যাংকিং এ সুবিধা গুলো জানতে পেরেছেন। আমার মনে হয় এই সুবিদাগুলো জানার পরে আপনি অবশ্যই মোবাইল ব্যাংকিং সেবাকে নির্দ্বিধায় গ্রহণ করবেন। এতে আপনার সময়ও বাঁচবে এবং কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে আপনার ব্যাংকের সেবা গ্রহণ করার কার্যক্রম সম্পূর্ণ হয়ে যাবে।

মোবাইল ব্যাংকিং এর অসুবিধা

প্রতিটা জিনিসের যেমন সুবিধার রয়েছে তেমনি অসুবিধা রয়েছে। মোবাইল ব্যাংকিং এর অসুবিধা হচ্ছে -
  • মোবাইল যদি হারিয়ে যায় বা চুরি হয়ে যায়, তাহলে আপনার ব্যাংকিং ডিটেলস অন্যের কাছে যাবার সম্ভাবনা থাকে।
  • মোবাইল ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে যেকোনো সময় লেনদেন করা যায় এক্ষেত্রে আপনার খরচ বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।
  • মোবাইল ব্যাংকিং সেবা একটি নিরাপদ সেবা। কিন্তু, গ্রাহকের পাসকোড অথবা পিন অন্য কেউ জেনে নিলে সেই গ্রাহকের বিনা পরিস্থিতিতে লেনদেন করতে পারবে। যা একটি গ্রাহকের জন্য বেশ ক্ষতিকর। এজন্য আপনাকে এ সকল বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

লেখকের শেষকথা

আধুনিক যুগের সাথে তাল মিলিয়ে আমাদের দেশে ধাপে ধাপে মোবাইল ব্যাংকিং এর চাহিদা বেড়েই চলেছে। যার ফলে বাংলাদেশ আজ মোবাইল ব্যাংকিং এর দিক থেকে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। আর সেজন্য আজকে আমরা মোবাইল ব্যাংক কিভাবে একটিভ করতে হয় মোবাইল ব্যাংকিং এর সুবিধা অসুবিধা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছি।

আশা করছি, এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনি অল্প কিছু হলেও মোবাইল ব্যাংকিং কিভাবে এক্টিভেট করতে হয় - মোবাইল ব্যাংকিং এর সুবিধা অসুবিধা সম্পর্কে জানতে সক্ষম হয়েছেন। যদি এ বিষয়ে আপনাদের মাঝে কোন প্রশ্ন বা মতামত থাকে, তাহলে অবশ্যই আমাদেরকে কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে পারেন।

মোবাইল ব্যাংকিং কিভাবে এক্টিভেট করতে হয় - মোবাইল ব্যাংকিং এর সুবিধা অসুবিধা নিয়ে লেখা আমাদের আর্টিকেলটি আপনার ভালো লেগে থাকলে বা আপনি উপকৃত হলে কমেন্ট করতে ও আপনার পরিচিতদের শেয়ার করতে ভুলবেন না। স্বাস্থ্য ও প্রযুক্তি সম্পর্কিত অন্যান্য আর্টিকেল পড়তে আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আমাদের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url